ঈদের নামায পড়ার নিয়ম

Share this

প্রথমে নিয়্যত করতে হবে। (আরবী বাংলা অথবা যে কোন ভাষায় নিয়ত করলে চলবে) বাংলায় নিয়্যত ও আমি আল্লাহর উদ্দেশে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার ওয়াযিব নামায আদায় করার জন্য ছয় তাকবীরের সাথে ইমামের পিছনে ক্বিবলামুখী হয়ে দাঁড়ালাম, আল্লাহু আকবার।

  • ইমাম তকবীর বলার পর মুক্তাদিরা আল্লাহু আকবার বলতে বলতে কানের গােড়া পর্যন্ত হাত উঠাবে।
  • তারপর হাত বেঁধে ছানা পাঠ করবে (হাত বাধার নিয়ম একই যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে)।

তারপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার বলতে হবে এবং প্রত্যেক বার কানের লতি পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। এবং হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। প্রত্যেক তাকবীরের মধ্যখানে তিনবার ‘সুবাহানাল্লাহ’ পড়ার সমপরিমাণ সময় থাকতে হবে।

আরো পড়ুন:- ঈদুল আযহার ইতিহাস

  • তৃতীয় তাকবীরের পর হাত বাঁধতে হবে এবং তাউজ তাসমিয়া, সূরা ফাতেহা এবং সিজদাতে গিয়ে রুকূ ও সেজদার তসবিহ ঠিকমত আদায় করবে।
  • তারপর দ্বিতীয় রাক’আতে সূরা ফাতেহা এবং অন্য সূরা মিলিয়ে পড়ার পর ‘আল্লাহু আকবার বলে তিন বার তকবীর বলতে হবে। প্রত্যেক তকবীরে কানের গােড়া পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে এবং হাত ঝুলন্ত অবস্থায় রাখতে হবে। চতুর্থ তকবীর বলে রুকূতে চলে যাবে।
  • তারপর নিয়ম মত তাশাহুদ দুরূদ শরীফ ও দোয়া মাসূরা পাঠ করে ঈদের নামায শেষ করবে। ইমাম সাহেব দু’টি খুতবা পাঠ করবেন। মুক্তাদিরা মনযােগসহকারে শুনবেন (খুতবা শােনা ওয়াজিব)।

নােট ও ঈদের নামাযের জন্য আযান এবং ইকামতের প্রয়ােজন নেই। ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহার নামায একই রকম শুধুমাত্র নিয়্যত বাধার সময় ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার নাম পরিবর্তন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.