নামাজ না পড়ার শাস্তি

Share this

নামাজ না পড়া ও নামাজের প্রতি উদাসীনতার পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ তালা বলেন-

তাদের পরে যারা তাদের স্থলাভিষিক্ত হল তারা নামাজ নষ্ট করল আর নফসের লালসা বাসনার অনুসরণ করল।

অতএব সেই দিন বেশী দূরে নয় যখন তারা এই কুকর্মের শাস্তি ভোগ করবে।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আছ হতে তার কর্তৃক নবী করীম স. হতে বর্ণিত হয়েছে, একদা তিনি নামাজের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করলেন,

বললেন যে লোক এ নামাজ সঠিকভাবে ও যথাযথ নিয়মে আদায় করতে থাকবে তাদের জন্য কিয়ামতের দিন একটি নূর, অকাট্য দলীল এবং পূর্ণ মুক্তি নির্দিষ্ট হবে। পক্ষান্তরে যে লোক নামজ সঠিক ভাবে আদায় করবেন তার জন্য নূর,

অকাট্য দলীল এবং মুক্তি কিছুই হবে না বরং কিয়ামতের দিন তার পরিণতি হবে করুণ, ফিরাউন, হামান ও উবাই ইবনে খালক এর সাথে।

নামাজ না পড়ার পরিনাম

এই হাদীছে বে নামাযীর নিকৃষ্ট পরিণামের কথা বুঝানোর জন্য নবী করীম স. মানবোতিহাসের চারজন নিকৃষ্টতম ব্যক্তির উল্লেখ করে বলেছেন- বে নামাযী লোক কিয়ামতের দিন ঐ চার ব্যক্তির সঙ্গী হবে।

চার ব্যক্তির সঙ্গী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে ইমাম ইবনুল কয়্যিম লিখেছেন হয় সে তার দন-সম্পদের ব্যাপারে বেশী মশগুল থাকার দরুন নামাজ সংরক্ষণ করবে না,

নয়ত দেশ শাসনের রাষ্টীয় কাজে ব্যস্ত থাকার দরুন অথবা ওজারতী ও সরকারী-বেসরকারী চাকুরীজনিত ব্যস্ততার কারণে কিংবা ব্যবসায় বাণিজ্য কাজে ব্যতিব্যস্ততার দরুন।

নামাজ না পড়ার প্রথম কারণটি হলে তার পরিণতি হবে ফিরাউনের সঙ্গে। আর ওজারতী বা দায়িত্বপূর্ণ চাকুরীর কারণে হলে সে পরকালে তাকে উবাই ইবনে খালফের সাথী হতে হবে।

হাদিসটিতে বে-নামাযী বা নামাজ তরককরীর প্রতি কঠোর তিরস্কার ও তীব্র ভীতির উল্লেখ প্রকট ও প্রচন্ড হয়ে উঠেছে।

এতে এ কথাও জানা যায় যে নামাজ নিয়মিত ও সুষ্ঠুভাবে আদায় করতে না থাকলে এবং মাঝে মধ্যে বা কখনো কখনো পড়লে সে নামাজের কোন অর্থ হয় না, নামজি তা হতে পরকালে কোন ফায়দাও লাভ করতে পারবেনা।

আরো পড়ুন: অজু করার নিয়ম

Leave a Reply

Your email address will not be published.